পাট বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফসল। উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু এবং গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বদ্বীপের নদীবিধৌত অববাহিকার কারণে প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চল বিশ্বমানের পাট উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। পরিবেশ বান্ধব, টেকসই এবং বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য এই পাট "সোনালী আঁশ" নামে পরিচিতি লাভ করে এবং বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।
কৃষক, পাটকল মালিক এবং ব্যবসায়ীদের সহায়তার মাধ্যমে পাট খাতের উন্নয়ন করা এবং বিশ্বব্যাপী বহুমুখী পাটজাত পণ্যের প্রসার ঘটানো।
প্রথম রপ্তানি
আদমজী যুগ
জিনোম ডিকোড
শিল্পের মান এবং ন্যায্য বাণিজ্য নিশ্চিত করতে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন।
প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা ও ভর্তুকির মাধ্যমে ৪০ লক্ষাধিক পরিবারকে ক্ষমতায়ন।
বিশ্ববাজারের জন্য ২৮০টিরও বেশি বহুমুখী পাটজাত পণ্যের গবেষণা ও উন্নয়ন।
রপ্তানিতে ৯৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা এবং কৃষকের আয় ৩৫% বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রধান সরকারি সংস্থা হিসেবে আমরা কৃষকের মাঠ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাজার পর্যন্ত সবকিছু সমন্বয় করি।
গবেষণা এবং আইনি কাঠামোর মাধ্যমে শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
২০১০ সালে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন, যা উচ্চ ফলনশীল ও রোগ-প্রতিরোধী ফসলের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করেছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে পাটের মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করায় দেশীয় বাজার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষা পাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক রপ্তানির জন্য পাটখড়ি থেকে চারকোল উৎপাদনে নেতৃত্ব দান, যা বর্জ্য থেকে নতুন অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ পাট উৎপাদনের বৈশ্বিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে টিকে আছে। আমাদের তথ্য এমন একটি খাতের প্রতিফলন ঘটায় যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখে এবং টেকসই শিল্পায়নে নেতৃত্ব দেয়।
বৃহত্তম পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারক
বার্ষিক রপ্তানি আয়
নির্ভরশীল পরিবার
বহুমুখী পাটজাত পণ্য